AdvertisementAdvertisement

বাটোয়ারা ১৯৪৭ ছবিতে সানি দেওলের পারিশ্রমিক ৬০ কোটি টাকা

বলিউডের রূপালি পর্দায় আবারও ফিরে আসছে ‘গদর’-এর তেজ। পরিচালক রাজকুমার সন্তোষীর বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ আগামী ১৪ আগস্ট মুক্তি পেতে চলেছে। দেশভাগের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই তারকাখচিত ছবিটি নিয়ে এখন থেকেই দর্শকদের মধ্যে সাজ সাজ রব। একদিকে সানি দেওলের শক্তিশালী অভিনয়, অন্যদিকে প্রীতি জিন্টা, শাবানা আজমি ও আলি ফজলের মতো দক্ষ শিল্পীদের উপস্থিতি ছবিটিকে ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে তুলেছে। তবে এই হাই-ভোল্টেজ সিনেমার পেছনে থাকা চমকপ্রদ পারিশ্রমিকের হিসাব এখন বিনোদন জগতের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

দীর্ঘ বিরতির পর ‘গদর ২’-এর অভাবনীয় সাফল্যের জাদুকরী ছোঁয়া বজায় রেখে সানি দেওল এই ছবির মাধ্যমে ফের বক্স অফিস কাঁপাচ্ছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিনেমাটির জন্য সানি দেওল পারিশ্রমিক হিসেবে নিয়েছেন আকাশচুম্বী ৬০ কোটি টাকা। ‘গদর ২’-এর পর থেকে অভিনেতার আকাশছোঁয়া চাহিদাই যে এই বিশাল অঙ্কের কারণ, তা বলাই বাহুল্য। তবে কেবল সানি দেওলই নন, অন্যান্য শিল্পীদের পারিশ্রমিকের অঙ্কও কম নয়। দীর্ঘ সময় পর বলিউডে প্রত্যাবর্তন করা প্রীতি জিন্টা এই ছবির জন্য পারিশ্রমিক নিয়েছেন ১০ কোটি টাকা।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

ছবির অন্যতম শক্তিশালী স্তম্ভ প্রবীণ অভিনেত্রী শাবানা আজমির পারিশ্রমিকের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করা হলেও সিনে মহলে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, তিনি ৭ থেকে ১০ কোটি টাকার মাঝামাঝি কোনো অঙ্কের পারিশ্রমিক পেয়েছেন। পাশাপাশি প্রতিভাবান অভিনেতা আলি ফজল এই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য নিয়েছেন ৭ কোটি টাকা। তারকাসমৃদ্ধ এই কাস্টিং নিশ্চিতভাবেই ছবিটিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ উর্দু নাটক ‘জিস লাহোর নাই ভেখ্যা ও জমিন নাই’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত হয়েছে। ভারত-পাকিস্তান দেশভাগের সেই ভয়াবহ এবং আবেগঘন দিনগুলোকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে ছবির গল্প। সেই অগ্নিঝরা সময়েও কীভাবে কিছু মানুষ মানবতার জয়গান গেয়েছিল এবং বিভেদের দেয়াল ভেঙে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছিল, সেই অম্লান সত্যই ফুটে উঠবে বড় পর্দায়।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

সানি দেওল ও রাজকুমার সন্তোষীর দীর্ঘ দিনের বন্ধুত্ব এবং পেশাদার সম্পর্কের রসায়ন আবারও দর্শকদের মুগ্ধ করতে প্রস্তুত। এখন দেখার বিষয়, অতীতের মতো এই জুটিও রুপালি পর্দায় সেই পুরনো জাদুই পুনরায় তৈরি করতে পারেন কি না। ১৪ আগস্টের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন অগণিত দর্শক, যেখানে মানবতার জয়গান গাইতে প্রেক্ষাগৃহে নামবে তারার মেলা।

0%
0%
0%
0%