কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীব্র স্রোতে ডুবে এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। একই দিনে উপজেলার আরেকটি এলাকায় পুকুরের পানিতে ডুবে পাঁচ বছর বয়সী আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আকস্মিক এই দুটি পৃথক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সুখেরবাতী গ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদে গোসল করতে নামে লামিয়া খাতুন নামের এক কন্যাশিশু। গোসলের একপর্যায়ে পানির স্রোতে তলিয়ে গিয়ে সে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজ শিশুটি সুখেরবাতী গ্রামের মো. সাহাবুদ্দিনের মেয়ে।
ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা নদীতে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালিয়েও শিশুটির কোনো সন্ধান পাননি। গভীর রাত পর্যন্ত উদ্ধারকাজ অব্যাহত থাকলেও তার খোঁজ মেলেনি। এই ঘটনায় নিখোঁজ শিশুর পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
এদিকে একই দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার বাউশমারী মাঠের ভিটা গ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে মো. সোয়াইব হোসেন নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে শিশুটি নিখোঁজ হলে পরিবারের লোকজন তাকে চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
অবশেষে রাত আটটার দিকে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখতে পান স্বজনরা। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সোয়াইব হোসেন ওই গ্রামের মো. নবীর হোসেনের সন্তান।
রৌমারী থানার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পানিয় ডুবে শিশু মৃত্যুর এই দুটি পৃথক ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।