স্মৃতি মান্ধানার ব্যাটে ভর করে এশিয়ান গেমসে স্বর্ণপদক ধরে রাখল ভারত

এশিয়ান গেমসে নারী ক্রিকেটের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানের বিশাল ব্যবধানে গুঁড়িয়ে দিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো স্বর্ণপদক জয় করল ভারত। স্মৃতি মান্ধানার বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ভর করে ভারত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২১৬ রানের পাহাড় গড়ে, যা এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে নারী ক্রিকেটে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৬৯ রানেই গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।

টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর। স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মার উদ্বোধনী জুটি শুরু থেকেই লঙ্কান বোলারদের ওপর চড়াও হয়। মাত্র ১০ ওভারেই তারা স্কোরবোর্ডে ৯৯ রান তুলে ফেলে। শেফালি ভার্মা ২৯ বলে ৪৮ রান করে আউট হলেও মান্ধানা তার তাণ্ডব অব্যাহত রাখেন। ৪৫ বলে ৭টি ছক্কা ও ৫টি চারের মারে ৭৯ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস উপহার দেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।

ইনিংসের শেষ দিকে রিচা ঘোষের ঝড়ো ব্যাটিং ভারতকে ২০০ রানের গণ্ডি পার করে দেয়। রিচা মাত্র ২২ বলে ৩টি ছক্কা ও ৬টি চারের সাহায্যে ৪৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। শেষ ওভারে মিতালি অযোধ্যার বোলিং থেকে রিচা ও ভারতী ফুলমালি ২৫ রান সংগ্রহ করেন, যার মধ্যে ৮টি ওয়াইড বলও ছিল। লঙ্কান বোলারদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে ভারত পায় বিশাল সংগ্রহ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা কখনোই জয়ের লড়াইয়ে ছিল না। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৫.৪ ওভারে মাত্র ৬৯ রানেই তাদের ইনিংস শেষ হয়। দলের পক্ষে অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন। ভারতের বোলিং তোপে লঙ্কান ব্যাটাররা দাঁড়াতেই পারেননি। এই জয়ে এশিয়ান গেমসের মঞ্চে ভারতের নারী ক্রিকেট দল আবারও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিল।

এদিকে, ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ম্যাচে জয় পেয়েছে পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তান ৮ উইকেটে ১৪৫ রান সংগ্রহ করে। দলের বিপর্যয়ের মুখে অধিনায়ক ফাতিমা সানা ৩০ বলে ৪৫ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। জবাবে বাংলাদেশ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১১৪ রান তুলতে সক্ষম হয়। ফলে ৩১ রানের জয়ে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করে পাকিস্তান।

০%
০%
০%
০%