চাঁদাবাজ ও সহায়তাকারী পুলিশ সদস্যদের তালিকা তৈরির নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সারাদেশে সক্রিয় চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরির পাশাপাশি এই অপকর্মে সম্পৃক্ত পুলিশ সদস্যদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কঠোর বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত ইএনটি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র পরিকল্পিতভাবে সমাজের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের টার্গেট করে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদাবাজি করে আসছে। এসব দুর্বৃত্ত রাতারাতি সম্পদের পাহাড় গড়তে দাগি আসামি, সন্ত্রাসী ও গডফাদারদের নাম ব্যবহার করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। সরকার কেবল সাধারণ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে নয়, বরং তাদের মদদদাতা পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেও কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বদ্ধপরিকর।
অপরাধ দমনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, শনিবারই ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশসহ দেশের সকল মেট্রোপলিটন এলাকায় বিশেষ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। চাঁদাবাজ, চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং মাদক কারবারিদের অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অধ্যাপক আসাদুর রহমানের ওপর হামলার মূলহোতাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে তিনি এই পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন।
বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার সারা দেশে চাঁদাবাজি নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অপরাধী চক্রগুলোকে সমূলে উৎপাটন করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ তৎপর থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার যেকোনো মূল্যে কঠোর অবস্থানে থাকবে বলেও তিনি পুনরুক্ত করেন।
