মেহেদী হত্যায় দোষীদের বিচারের দাবিতে কলেজ বন্ধের ঘোষণা ও পরিবারের পাশে প্রশাসনের আশ্বাস

লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ৪ নং ইছাপুর ইউনিয়নের রাঘবপুর গ্রামে গত শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে নিহত মেহেদী হাসানের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে আসে। গত ১৬ জুন মঙ্গলবার ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির কিছু বিপথগামী শিক্ষার্থী মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে মেহেদী হাসানকে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। এই অমানবিক ঘটনার পর নিহতের বাড়িতে ছুটে যান স্থানীয় অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীরা।
নিহতের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে মেহেদী হাসানের শোকসন্তপ্ত মা ও বাবার সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের শান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি স্পষ্ট ঘোষণা দেন যে, যতক্ষণ পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তিনি আরও বলেন, নিহত মেহেদী তার নিজের সন্তানের মতোই, তাই এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
পরিদর্শনকালে রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম পিন্টুসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয়রা গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ঘটনার পর থেকে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন।