আসামি গ্রেপ্তারের নামে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শকের বিরুদ্ধে

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার মাশিকারা সরকার বাড়িতে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে চারজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি গ্রেপ্তারের নামে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই সাব-ইন্সপেক্টরের নাম সঞ্জয় সিকদার। ভুক্তভোগী মামলার বাদী রুবি আক্তারের পরিবারের অভিযোগ, বিচার পাওয়ার পরিবর্তে উল্টো আর্থিক হয়রানির শিকার হতে হয়েছে তাদের।

বিজ্ঞাপন

মামলার বাদী রুবি আক্তারের বোন সুমি আক্তার জানান, গত ৪ মে কুমিল্লা আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর সাব-ইন্সপেক্টর সঞ্জয় সিকদার তাদের বাড়িতে গিয়ে দুই হাজার টাকা গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি সোহাগ ওরফে শিবু নামের এক ব্যক্তির মুঠোফোন নম্বর দিয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। সোহাগ ওই মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের প্রলোভন দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন।

সুমি আক্তার আরও জানান, লোন বা ঋণ করে তারা ৪০ হাজার টাকা সোহাগের হাতে তুলে দেন। তবে দেড় মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও পুলিশ কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করেনি। প্রশাসনের শীর্ষ মহলে তারেক রহমান সরকারের সুশাসন নিশ্চিতের নির্দেশনা থাকলেও মাঠ পর্যায়ে কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে সাধারণ মানুষ এভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে স্থানীয়রা মন্তব্য করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাব-ইন্সপেক্টর সঞ্জয় সিকদারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, সোহাগকে তাদের কাছে পাঠানো হচ্ছে এবং তিনি বর্তমানে আদালতে জরুরি কাজে ব্যস্ত আছেন। এদিকে টাকা গ্রহণের বিষয়ে সোহাগের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি সরাসরি কোনো উত্তর না দিয়ে অস্পষ্টভাবে জানান যে, সব তথ্য খাতায় লেখা আছে এবং তা ওই কর্মকর্তার কাছেই সংরক্ষিত।

বিজ্ঞাপন
0%
0%
0%
0%