AdvertisementAdvertisement

ইপিজেডের বর্জ্য শোধন ছাড়া খালে ফেলা যাবে না: সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী

কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেছেন, কুমিল্লা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) শিল্পকারখানা থেকে নির্গত রাসায়নিক বর্জ্য অবশ্যই শোধনাগারে পরিশোধনের পর প্রাকৃতিক খালে ফেলতে হবে। পরিবেশের ভারসাম্য ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় বর্জ্য শোধন ছাড়া কোনো অবস্থাতেই তা নিঃসরণ করা যাবে না বলে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

শনিবার কুমিল্লা ইপিজেডের সম্মেলন কক্ষে বেপজা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম। এতে বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী দেশের অর্থনীতিতে কুমিল্লা ইপিজেডের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করে বলেন, এখানে বৈদেশিক বিনিয়োগ ও রপ্তানি কার্যক্রম সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। তবে শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে নির্গত বিষাক্ত রাসায়নিক বর্জ্য প্রাকৃতিক খালে মিশে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ দূষণের ফলে স্থানীয় কৃষিজমি ও ফসল উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা কাম্য নয়।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও জনস্বার্থ বিবেচনায় শোধনাগারের পূর্ণ কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন দর্শনের সাথে সংগতি রেখে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের ওপর তিনি জোর দেন।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

সভায় ইপিজেডের সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, বর্তমান ইপিজেডের দক্ষিণাংশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক পর্যন্ত সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া গোমতী নদীর উত্তর তীরে নতুন একটি ইপিজেড স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাই করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। সভা শেষে ইপিজেডের সার্বিক কার্যক্রম, বিনিয়োগ পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বেপজা কর্মকর্তাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেন তিনি।

0%
0%
0%
0%