AdvertisementAdvertisement

ফ্লেমিংয়ের হাত ধরে নতুন শুরুর অপেক্ষায় জো রুট স্বপ্ন দেখছেন বিশেষ কিছু গড়ার

ইংল্যান্ড টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে আবারও দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জো রুট। দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে তিনি জানালেন, নতুন প্রধান কোচ স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের সাথে কাজ করার তীব্র আকাঙ্ক্ষাই তাকে পুনরায় এই চ্যালেঞ্জ নিতে উদ্বুদ্ধ করেছে। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রুট জানান, ফ্লেমিংয়ের ক্রিকেটীয় দর্শন এবং দল নিয়ে তার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনাই তাকে নতুন করে স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছে। এই অভিজ্ঞ নিউজিল্যান্ড কোচের সাথে মিলে ক্রিকেটের আঙিনায় নতুন কিছু অর্জন করার লক্ষ্য তার।

২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো অধিনায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করা রুটের জন্য এবারের প্রত্যাবর্তন এক ভিন্ন অভিজ্ঞতার নাম। ৩৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার অকপটে স্বীকার করেছেন, আগের সেই তরুণ রুটের সাথে বর্তমানের রুটের অনেক পার্থক্য রয়েছে। রুটের মতে, তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে সাফল্য এবং ব্যর্থতার যে মিশ্র অভিজ্ঞতা রয়েছে, তা এবার দলকে এগিয়ে নিতে বড় ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে ২০২২ সালে দায়িত্ব ছাড়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তিনি মানসিকভাবে অনেক বেশি পরিপক্ক ও চনমনে অনুভব করছেন।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

কোভিড-১৯ মহামারীর কঠোর জৈব সুরক্ষা বলয়ে টানা দুই বছর ২২টি টেস্ট ম্যাচ খেলার ধকল যে কতটা তীব্র ছিল, তা নিয়েও খোলাখুলি কথা বলেছেন রুট। সেই সময়টি ছিল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং এবং মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হওয়ার মতো। তবে বর্তমান পরিস্থিতির সাথে সেই সময়ের আকাশ-পাতাল তফাৎ রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। নতুন উদ্দীপনা ও সতেজতা নিয়ে তিনি এখন দলের দায়িত্বভার সামলাতে পুরোপুরি প্রস্তুত।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

বেন স্টোকস এবং ব্রেন্ডন ম্যাককালামের আমলে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল যে ইতিবাচক মানসিকতা ও আক্রমণাত্মক খেলার সংস্কৃতি গড়ে তুলেছে, তা অক্ষুণ্ণ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রুট। তিনি জানান, গত চার বছরে দল যেভাবে খেলার ধারা বদলেছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। রুট নতুন করে সবকিছু শুরু করার বদলে বিদ্যমান ব্যবস্থাকে আরও শাণিত এবং কৌশলী করার ওপর জোর দিচ্ছেন। তার লক্ষ্য হলো এমন একটি দল গঠন করা, যা প্রতিপক্ষের চাপের মুখেও মাথা নত করবে না এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে নিজেদের সেরা প্রতিভা প্রদর্শন করবে।

পরিশেষে রুট তার নতুন অধ্যায়ের মূলমন্ত্র হিসেবে স্মার্ট ক্রিকেট খেলার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি মনে করেন, দলের খেলোয়াড়দের ভয়হীনভাবে খেলার স্বাধীনতা দেওয়ার পাশাপাশি পরিস্থিতির চাহিদা অনুযায়ী রক্ষণাত্মক ও আক্রমণাত্মক হওয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে পারলে ইংল্যান্ড বিশ্ব ক্রিকেটে অত্যন্ত শক্তিশালী এক প্রতিপক্ষ হিসেবে টিকে থাকবে।

0%
0%
0%
0%