মেটার বিরুদ্ধে এনএসওর সাইবার হামলা ও আইনি লড়াই অব্যাহত

মেটা কর্তৃপক্ষ এক ব্লগ পোস্টে জানিয়েছে যে, সম্প্রতি শনাক্ত হওয়া সাইবার আক্রমণগুলো মূলত পূর্বের ‘ওয়ান-ক্লিক ফিশিং’ ক্যাম্পেইনের অনুরূপ। ক্ষতিকারক লিঙ্কে ব্যবহারকারীদের ক্লিক করানোর মাধ্যমে তাদের ডিভাইস বা অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে হ্যাকাররা। এই কৌশলে কোনো ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য বা পাসওয়ার্ড প্রবেশের প্রয়োজন ছাড়াই একটিমাত্র ক্লিকের মাধ্যমেই সাইবার অপরাধীরা আক্রান্তের ডিভাইসে আড়িপাতার সুযোগ পেয়ে থাকে।

বিজ্ঞাপন

ইসরায়েলি নজরদারি সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনএসও গ্রুপের বিরুদ্ধে মেটার আইনি লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে এই তথ্য সামনে এল। যদিও এনএসও গ্রুপকে মেটার কাছে প্রদেয় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ১৬৭ মিলিয়ন ডলার থেকে কমিয়ে ৪ মিলিয়ন ডলারে নামিয়ে এনেছে আদালত, তবুও এই স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এনএসও-এর জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাদের তৈরি ‘পেগাসাস’ স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে বিতর্কিত এই প্রতিষ্ঠানটি।

মেটা আরও জানায়, এনএসও গ্রুপের পক্ষ থেকে করা আপিলের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে গত মাসে ১২টি প্রভাবশালী নাগরিক অধিকার সংস্থা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। নিরাপত্তা গবেষক, গোপনীয়তা সুরক্ষা বিষয়ক আইনজীবী এবং ডিজিটাল অধিকার বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত এই জোট আদালতের কাছে ‘অ্যামিকাস কিউরি’ বা নিরপেক্ষ আইনি মতামত দাখিল করেছে। মূলত এনএসও-এর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখতেই এই সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

0%
0%
0%
0%