AdvertisementAdvertisement

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নকআউটের হাতছানি যুক্তরাষ্ট্রের সামনে অনিশ্চিত পুলিসিকের খেলা

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের দুয়ারে দাঁড়িয়ে এখন যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। সিয়াটলের লুমেন ফিল্ডে শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় মুখোমুখি হচ্ছে ‘ডি’ গ্রুপের এই দুই দল। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে উভয় দলই। নিজেদের প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে উড়ন্ত সূচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, তুরস্ককে ২-০ গোলে হারিয়ে চমক দেখিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এই লড়াইয়ে জয়ী দল কেবল নকআউট পর্বই নিশ্চিত করবে না, বরং গ্রুপের শীর্ষস্থানও অনেকটা পাকা করে ফেলবে।

যুক্তরাষ্ট্রের তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিচের খেলা নিয়ে কিছুটা শঙ্কা রয়েছে। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের আগে প্রশিক্ষণের সময় বাম পায়ের কাফ পেশিতে চোট পান এই এসি মিলান প্লে-মেকার। কোচ মাউরিসিও পচেত্তিনো জানিয়েছেন, পুলিসিচের উন্নতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। যদি তিনি পুরোপুরি ফিট না হন, তবে তাকে ছাড়াই পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন আর্জেন্টাইন এই কোচ। তবে পুলিসিচ না থাকলে দলে বিকল্পের অভাব নেই। ফোলারিন বালোগুন, যিনি প্যারাগুয়ের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন, থাকছেন আক্রমণভাগের মূল ভরসা হিসেবে। এছাড়া জিওভানি রেইনা, টিমোথি উইয়াহ কিংবা সেবাস্টিয়ান বেরহাল্টারের ওপর আস্থা রাখতে পারেন পচেত্তিনো।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া শিবিরের বড় ভরসা তরুণ সেনসেশন ইরাঙ্কুন্দা। ভ্যাঙ্কুভারে তুরস্কের বিপক্ষে গোল করে বিশ্বকাপের ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়ার সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতার রেকর্ড গড়েছেন ২০ বছর বয়সী এই ফুটবলার। বুরুন্ডিতে জন্ম নেওয়া এই খেলোয়াড় বর্তমানে ইংলিশ ক্লাব ওয়াটফোর্ডের হয়ে মাঠ মাতাচ্ছেন। অজিদের রক্ষণভাগ তুরস্কের বিপক্ষে দারুণ ছন্দে ছিল, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

গ্রুপের সমীকরণ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র যদি জয়ী হয় এবং সান্তা ক্লারায় তুরস্ক ও প্যারাগুয়ের মধ্যকার অন্য ম্যাচটি ড্র হয়, তবে এক ম্যাচ হাতে রেখেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করবে মার্কিনরা। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, পয়েন্ট সমান হলে গোল পার্থক্যের আগে মুখোমুখি লড়াইয়ের ফলাফলকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। ফলে জয়ের বিকল্প নেই কোনো দলেরই।

সব মিলিয়ে সিয়াটলের এই লড়াই পরিণত হয়েছে এক শ্বাসরুদ্ধকর স্নায়ুচাপে। যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণাত্মক ফুটবল বনাম অস্ট্রেলিয়ার সুশৃঙ্খল রক্ষণভাগের দ্বৈরথ দেখার অপেক্ষায় বিশ্ব। জয়ী দল নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়ে সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া স্টেডিয়ামে নিজেদের পরবর্তী লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুতি শুরু করবে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে তারা নকআউট পর্বে বসনিয়া, ইকুয়েডর, সুইডেন, নরওয়ে কিংবা আলজেরিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে পারে।

0%
0%
0%
0%