চাঁদপুরে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জিয়াউর রহমানের স্মরণে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

চাঁদপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মুখরিত হয়ে উঠেছিল বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা। শহরের জেএম সেনগুপ্ত রোডের মুনিরা ভবনে জেলা বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতি অঙ্কন ও নানা সৃজনশীল চিত্রকর্মের মাধ্যমে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। তিনি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে আয়োজকদের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করেছিল। সিপাহি-জনতার ঐক্য, দেশপ্রেম এবং জাতীয় সংহতির যে বার্তা সেদিন উচ্চারিত হয়েছিল, তা বর্তমান প্রজন্মের কাছে জাতীয় ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক হিসেবে টিকে আছে।

জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের গুরুত্বারোপ করে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, অসীম সাহস এবং জাতীয় ঐক্যের আদর্শকে অন্তরে ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা সবাই মিলে কাজ করে যাব। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতে দলীয় নেতাকর্মীদের জনগণের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদের মধ্যে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সলিম উল্লাহ সেলিম, সহ-সভাপতি দেওয়ান মোহাম্মদ শফিকুজ্জামান ও খলিলুর রহমান গাজী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন মাঝি, প্রচার সম্পাদক শরিফ উদ্দিন পলাশ এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মইনুদ্দিন লিটন ভূইয়া অংশ নেন।

অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত অভিভাবক ও স্থানীয়রা জানান, তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও জাতীয় চেতনার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে এমন আয়োজন অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশেষ করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও অবদান সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে যে আগ্রহ দেখা গেছে, তা ভবিষ্যতে দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরিতে সহায়ক হবে বলে তারা মনে করেন।

০%
০%
০%
০%