ভোলায় দুর্নীতিবাজদের ঠাঁই নেই, ভোলা-বরিশাল সেতু হবেই: তথ্যমন্ত্রী পার্থ

ভোলায় কোনো প্রকার চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজের ঠাঁই হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। বুধবার ভোলার নতুন বাজারস্থ বিজেপি কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সরকারি সব বরাদ্দের প্রতিটি পয়সার হিসাব জনগনকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং দুর্নীতির সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, তার রক্তে দুর্নীতি নেই এবং যারা অনিয়মের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবেন, তারা কোনোভাবেই তার অনুসারী হতে পারবেন না। ভোলা জেলাকে উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে নিতে বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনসহ সকল রাজনৈতিক দলকে সাথে নিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি। অতীতে নির্বাচনে যারা তার বিপক্ষে ছিলেন, তাদের জন্যও তার দরজা সবসময় খোলা রয়েছে বলে জানান তিনি।
ভোলা-বরিশাল সেতু প্রসঙ্গে সৃষ্ট বিভ্রান্তি নিরসন করে মন্ত্রী বলেন, এ সেতু নির্মাণের দাবিটি দীর্ঘদিনের এবং তা বাস্তবায়নে তিনি সবসময় সরব রয়েছেন। সেতু নির্মাণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঢাকা যাতায়াতের সুবিধার্থে সড়ক পথের উন্নয়নের প্রতিও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ভোলা-বরিশাল সেতুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও তিনি জনগনের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন।
নিজের রাজনৈতিক পরিচয় ছাপিয়ে স্থানীয়দের ভালোবাসা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, তার প্রয়াত বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর মতোই তিনি জনগণের সান্নিধ্য চান। তাকে মন্ত্রী বা এমপি হিসেবে নয়, বরং এলাকার সন্তান হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানান তিনি। জনমতের প্রতি সম্মান রেখে তিনি নিজেকে সর্বদা জনগণের সেবক হিসেবেই দেখতে চেয়েছেন।
উল্লেখ্য, তিন দিনের সরকারি সফরে মঙ্গলবার দুপুর ২টায় সড়ক পথে ভোলায় পৌঁছান তথ্যমন্ত্রী। মন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে হাজার হাজার দলীয় নেতাকর্মী মোটরসাইকেল ও যানবাহনের বিশাল বহর নিয়ে তাকে উষ্ণ সংবর্ধনা জানান। সফরকালে তিনি সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন বলে জানা গেছে।
