রামিসা হত্যা মামলা দীর্ঘায়িত করতে আসামিদের বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপকৌশল: ডিএমপি কমিশনার

মিরপুরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত ও দীর্ঘায়িত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে আসামিপক্ষ। বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার জানান, মামলার আসামিরা বিভিন্ন সময় অন্য ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার দাবি তুলে তদন্তের মোড় ঘোরানোর কৌশল অবলম্বন করছে। তবে ডিএমপির নিবিড় ও বিজ্ঞানভিত্তিক তদন্তে চার্জশিটভুক্ত আসামিদের বাইরে অন্য কারও জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ঘটনার সাত দিনের মধ্যেই মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরির ঘটনার বিষয়ে কমিশনার জানান, এ ঘটনায় একজন আউটসোর্সিং কর্মী ও এক ভাঙারি দোকানের মালিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের হেফাজত থেকে প্রায় ৮ কেজি তার উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে বিশদ তদন্ত চলমান রয়েছে।

রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও জননিরাপত্তা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, বর্তমানে ৫৭টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ৭০টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি পরিচালনা করা হচ্ছে। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে সরকারি গাড়ি বা কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দৌরাত্ম্য কমাতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিয়ম অমান্যকারী অটোরিকশা আটক করে ডাম্পিং করার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ট্রাফিক আইন অমান্যকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করা হচ্ছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

০%
০%
০%
০%