পুলিশি হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে খুলনায় ট্যাংকলরি শ্রমিকদের বিক্ষোভ

খুলনার ফুলতলা ও খানজাহান আলী থানা এলাকায় পুলিশি হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে খুলনা-যশোর মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন ট্যাংকলরি শ্রমিকরা। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত চলা এই কর্মসূচির কারণে মহাসড়কের প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন চালকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের আহ্বানে শ্রমিকরা প্রথমে ফুলতলা থানা এলাকায় কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশের বাধার মুখে পড়ে তারা স্থান পরিবর্তন করে খানজাহান আলী থানার পথের বাজার এলাকায় সমবেত হন। সেখানে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ থেকে অবিলম্বে হয়রানি বন্ধের জোর দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি এনাম মুন্সী। এ সময় বক্তব্য রাখেন জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সহ-সভাপতি শেখ মুরাদ হোসেন, ঐক্য পরিষদের নেতা মীর মোকসেদ আলী এবং শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলী আজিম।
বক্তারা অভিযোগ করেন, কাগজপত্র যাচাইয়ের অজুহাতে পুলিশ ও প্রশাসন রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে নিয়মিত চাঁদাবাজি ও শ্রমিকদের হয়রানি করছে। তারা উল্লেখ করেন যে, জ্বালানি তেল লোডের আগেই টার্মিনালে সব নথিপত্র পরীক্ষা করার নিয়ম রয়েছে। রাস্তায় ৯ হাজার লিটার দাহ্য পদার্থবাহী ট্যাংকলরি থামানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। এ ঘটনায় শ্রমিকরা দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
