খাগড়াছড়িতে বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে জনজীবনে স্বাভাবিকতা ফেরানোর চেষ্টা

খাগড়াছড়ি সদর ও দীঘিনালা উপজেলায় ভারি বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের প্রকোপ কমায় বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। শনিবার দিনভর বৃষ্টি না হওয়ায় জেলা সদরের প্লাবিত নিম্নাঞ্চল থেকে বন্যার পানি দ্রুত নেমে যেতে শুরু করেছে। তবে দীঘিনালার কিছু নিচু এলাকায় এখনো পানি জমে থাকায় জনজীবনে দুর্ভোগ অব্যাহত রয়েছে।
গত শুক্রবার রাতে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টার আকস্মিক ও ভারি বৃষ্টিপাতে জেলাজুড়ে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছিল। পানি নেমে যাওয়ায় বর্তমানে খাগড়াছড়ি সদরের মেহেদীবাগ ও নিচের বাজার এলাকার বাসিন্দারা নিজেদের বসতঘর ও দোকানপাটে জমে থাকা কাদা ও আবর্জনা পরিষ্কার করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ে খাগড়াছড়ি সদরের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের ১ হাজার ৩০০ মানুষের মাঝে ত্রাণ সহায়তা হিসেবে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. মিনহাজসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উত্তর গঞ্জপাড়া, দক্ষিণ গঞ্জপাড়া, মেহেদীবাগ, মুসলিম পাড়া, শব্দ মিয়া পাড়া ও ইসলামপুর এলাকায় ভুক্তভোগীদের হাতে এ খাবার তুলে দেন।
খাবার বিতরণকালে জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মো. মিনহাজ স্থায়ীভাবে বন্যা মোকাবিলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, গঞ্জপাড়া এলাকার দীর্ঘদিনের বন্যা সমস্যার সমাধানে চেঙ্গী নদীতে দ্রুত ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং ৫ কিলোমিটার এলাকায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি।
