ইন্দ্রানীর রোষানলে কুসুম ও আয়ুষের কঠিন জীবনসংগ্রামের নতুন মোড়

ভালোবাসার টানে সংসার পেতেও কুসুম এখন জীবনযুদ্ধের চরম সংকটে। গাঙ্গুলী পরিবারের অমতে আয়ুষের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার মাশুল হিসেবে তাদের কপালে জুটেছে চূড়ান্ত অবজ্ঞা আর গৃহহীন হওয়ার গ্লানি। পরম মমতায় কুসুমকে আগলে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আয়ুষ, কিন্তু প্রতিকূল পরিস্থিতির চাপে তাদের দৈনন্দিন জীবন এখন এক অগ্নিপরীক্ষা।
ইন্দ্রানীর ক্রোধের আগুনে পুড়েছে কুসুম ও আয়ুষের সুখের স্বপ্ন। মিথ্যা বা লোকলজ্জার দোহাই দিয়ে নিজের ছেলে ও পুত্রবধূকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে দ্বিতীয়বার ভাবেননি ইন্দ্রানী। অগত্যা হোটেলের আশ্রয় ছেড়ে পথে নামতে হয় দম্পতিকে। জীবন ধারণের তাগিদে কুসুম বেছে নেয় অন্যের বাড়িতে রান্নার কাজ। কিন্তু বিধাতার লিখন বড়ই বিচিত্র, যে বাড়িতে কুসুম রান্নার কাজে যোগ দেয়, সেখানেই অতিথি হয়ে আসেন ইন্দ্রানী।
কুসুমের হাতের জাদুকরী রান্নার স্বাদ ইন্দ্রানীর মন জয় করে নেয় মুহূর্তেই। প্রশংসায় পঞ্চমুখ ইন্দ্রানী রাঁধুনিকে পুরস্কৃত করতে নিজের হাতের সোনার বালা এগিয়ে দেন। কিন্তু এই আনন্দের মুহূর্তে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়ান আয়ুষের কাকিমা। তার মনে দানা বাঁধে তীব্র সন্দেহ। সে নিশ্চিত হতে চায়, ইন্দ্রানীর এত প্রশংসা কুড়ানো রাঁধুনি আর কেউ নয়, বরং তাদের বাড়ি থেকে বিতাড়িত সেই কুসুম।
রান্নার আড়ালে থাকা কুসুমের আসল পরিচয় কি তবে আজ উন্মোচিত হতে চলেছে? কাকিমার ধূর্ত চালে কুসুমের মুখের মাস্ক কি খুলে পড়বে? নিজের হাতের রান্না করা খাবার খেয়ে মুগ্ধ হওয়া ইন্দ্রানী যখন সত্য জানবেন, তখন কী রূপ নেবে তাদের সম্পর্কের সমীকরণ? নতুন এই মোড় কি কুসুমকে আরও একবার অপদস্থ করবে, নাকি এই রান্নাই হয়ে উঠবে তার ঘুরে দাঁড়ানোর চাবিকাঠি? টানটান উত্তেজনার এই নাটকীয় মুহূর্তে এখন দর্শক অপেক্ষায় রয়েছেন কুসুমের পরবর্তী পদক্ষেপ দেখার জন্য।
