ঢাকা জেলার সচিবালয় এলাকায় নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশে প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কিছুটা বেশি সময় লাগছে। গত ৩১ আগস্ট নতুন এই বেতনকাঠামো মন্ত্রিসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হলেও এর প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষায় রয়েছেন দেশের লাখ লাখ সরকারি চাকরিজীবী ও কর্মচারী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর গত ২ সেপ্টেম্বর পে স্কেলের রেজল্যুশন বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে বা বিজি প্রেসে পাঠানো হয় এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তা অর্থ মন্ত্রণালয়ে ফেরত আসে। বর্তমানে এই প্রজ্ঞাপনটি আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং বা আইনি যাচাইয়ের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।
এদিকে জুডিশিয়ারি সার্ভিসের বেতন ও বিভিন্ন ভাতার কয়েকটি বিষয় নতুন বেতনকাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়ায় গেজেট প্রকাশে বাড়তি এই সময় ব্যয় হচ্ছে। বিশেষ করে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের কিছু ভাতা নিয়ে প্রত্যাশা এবং অর্থ বিভাগের বর্তমান অবস্থানের মধ্যে কিছু পার্থক্য থাকায় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
প্রস্তাবিত এই নতুন বেতনকাঠামো ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও গেজেট প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় কর্মচারীদের মধ্যে বেতন ফিক্সেশন ও বকেয়া পাওনা নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ভেটিং প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরপরই প্রয়োজনীয় এসআরও নম্বর যুক্ত করে বাংলাদেশ গেজেটে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।