শহরে আসা শিক্ষকদের গ্রামে বদলি ও ডিজিটাল নকল রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি শিক্ষামন্ত্রীর

খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে কেন্দ্র সচিবদের সাথে মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, গত বিশ বছরে গ্রাম থেকে শহরে বদলি হওয়া শিক্ষকদের তালিকা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, এসব শিক্ষকদের পুনরায় গ্রামীণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে যেতে হবে এবং এ লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, আগামী জুলাই মাস থেকে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত স্কুল ড্রেস এবং মিড-ডে মিল কার্যক্রম চালু করা হবে। এছাড়া মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষাসমূহে অভিন্ন প্রশ্নপত্র প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অবসরে যাওয়া শিক্ষকদের বকেয়া কল্যাণ ও অবসর ভাতার বিষয়ে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, ২০২২ সাল থেকে আটকে থাকা এসব পাওনা দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করা হবে।

পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নকলের সুযোগ নেই এবং কোনো পরীক্ষার্থীর কাছে বই বা খাতা পাওয়া গেলে হল সুপারকে এর পূর্ণ দায়ভার গ্রহণ করতে হবে। দায়িত্ব অবহেলাকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অভিন্ন প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করলে দায়ীদের তাৎক্ষণিক আইনের আওতায় আনা হবে।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ফারুখে আযম মো. আবদুস ছালামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুন, রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল হক, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু এবং কেডিএ চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল আলম মনা। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবরা উপস্থিত থেকে পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু পরিচালনার বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

বিজ্ঞাপন
0%
0%
0%
0%