মাতামুহুরিতে বাড়িতে ডাকাতি ও নারী নির্যাতন, আটক ৬

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের ডলুনিঘোনা গ্রামে গভীর রাতে এক বসতবাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি ও নারীদের ওপর নির্যাতনের ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সশস্ত্র ডাকাত দল জানালার গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে এই সহিংসতা চালায়।

বিজ্ঞাপন

সাত থেকে আটজনের সশস্ত্র ডাকাত দলটি অস্ত্রের মুখে পরিবারের সবাইকে আটকে রেখে আলমারি ভেঙে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়। এ সময় বাড়িতে থাকা এক গৃহবধূ ও তার দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া কন্যাকে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

ভয়াবহ এই ঘটনার খবর পেয়ে চকরিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশ এবং চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ তারেক, কেফায়েত হোসেন, তোফাজ্জল হোসেন, মোহাম্মদ তানজিদ ও রেজাউল করিম নামের ৬ ব্যক্তিকে আটক করেছে।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন জানান, ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে এবং অপরাধীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এলাকায় এই ঘটনার পর থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। এ ধরনের জঘন্য ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সচেতন মহল।

বিজ্ঞাপন

দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের লক্ষ্যে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আশ্বস্ত করেছেন।

0%
0%
0%
0%