ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়া শিশুর লাশ ২৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদহ গ্রামে পদ্মা নদীর পাড় ধসে নিখোঁজ হওয়ার ২৮ ঘণ্টা পর সাত বছর বয়সী শিশু নূরিয়া খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে পার্শ্ববর্তী মিরপুর উপজেলার শিমুলতলা এলাকার মীর আব্দুল করিম কলেজসংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন। নিহত নূরিয়া ওই গ্রামের আশিক শেখ ও নূরনাহার খাতুনের কন্যা।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বুধবার বিকেলে নদী ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলার স্থানে নূরিয়া ও জামিলা নামে দুই শিশু খেলা করছিল। আকস্মিকভাবে নদীর পাড় ধসে পড়লে জিও ব্যাগসহ দুই শিশু পদ্মার প্রবল স্রোতে তলিয়ে যায়। জামিলা কোনোমতে প্রাণ বাঁচিয়ে পাড়ে উঠে আসতে সক্ষম হলেও নূরিয়া নদীর গভীরে তলিয়ে নিখোঁজ হয়। স্থানীয়রা দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজি করেও শিশুটিকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয়রা মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া এলাকায় নদীতে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করেন। খবর পেয়ে নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেন।
লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অবহেলা ও যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় এ মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করে স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
