অন্ধ্র ক্রিকেটের নতুন পরিচালক ডি কল্যাণকৃষ্ণ লক্ষ্য এখন মাঠের মান উন্নয়ন

অন্ধ্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের ক্রিকেট পরিচালকের গুরুদায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন সাবেক প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার ডি কল্যাণকৃষ্ণ। হায়দ্রাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের পথ অনুসরণ করে অন্ধ্র ক্রিকেট সংস্থাও প্রশাসনিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে একজন সাবেক রাজ্য পর্যায়ের খেলোয়াড়ের ওপর আস্থা রেখেছে। সম্প্রচার জগতে পরিচিত মুখ এবং মাঠের প্রাক্তন অলরাউন্ডার কল্যাণকৃষ্ণ এখন থেকে অন্ধ্র ক্রিকেটের উন্নয়নে পূর্ণ মনোযোগ দেবেন। এই নতুন দায়িত্ব পালনের খাতিরে তিনি আপাতত ধারাভাষ্যের জগৎ থেকে সাময়িক বিরতি নিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

৪২ বছর বয়সী এই প্রাক্তন ক্রিকেটার তার খেলোয়াড়ি জীবনে সব ফরম্যাট মিলিয়ে ১০৪টি ম্যাচ খেলেছেন। ক্রিকেট বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি তার কর্মপরিকল্পনার কথা জানান। তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রিকেটের উন্নয়ন, কোচদের মানোন্নয়ন এবং নতুন কোচ তৈরির দিকেই তার প্রধান লক্ষ্য। অন্ধ্র ক্রিকেটকে উচ্চতর শিখরে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে তিনি কাজ শুরু করেছেন।

বর্তমানে অন্ধ্র থেকে জাতীয় দলে একমাত্র প্রতিনিধিত্ব করছেন নীতিশ কুমার রেড্ডি। তবে কল্যাণকৃষ্ণ চাইছেন ভবিষ্যতে যেন এই সংখ্যাটি আরও বাড়ে এবং আইপিএলের মঞ্চেও অন্ধ্র ক্রিকেটের আরও বেশি খেলোয়াড় নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে পারেন। তিনি প্রতিটি জেলায় স্কুল লিগ কাঠামো চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। সঠিক পরিকাঠামো এবং মানসম্মত প্রশিক্ষক নিশ্চিত করাই তার মূল লক্ষ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য যে, গত কয়েক বছরে হনুমা বিহারী এবং কে এস ভরতদের মতো তারকারা অন্ধ্র ক্রিকেট থেকে বিদায় নিয়েছেন, যা রাজ্যটির জন্য বড় ধাক্কা ছিল। রিকি ভুইয়ের নেতৃত্বাধীন এবং গ্যারি স্ট্রিটের কোচিংয়ে গত রঞ্জি ট্রফিতে অন্ধ্র কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছিল। এছাড়া সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফিতে সুপার লিগ এবং বিজয় হাজারে ট্রফিতে নিজেদের গ্রুপে সপ্তম স্থান অর্জন করেছিল দলটি।

বিজ্ঞাপন

এদিকে, অন্ধ্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গিরিশ দোংরে তার পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। এই শূন্যপদ পূরণের জন্য অ্যাসোসিয়েশন এমন একজন পেশাদার খুঁজছে, যার অন্তত ১৫ বছরের জ্যেষ্ঠ নেতৃত্ব বা ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

0%
0%
0%
0%