দিল্লি ক্যাপিটালসের ডাগআউটে শুরু হয়েছে এক নতুন অধ্যায়। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ব্যাকরুম স্টাফ বা কোচিং প্যানেলে এসেছে বিশাল রদবদল। দলটির স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে এবার ঘরের ছেলে ঘরের মাঠে ফিরেছেন অভিজ্ঞ স্পিনার অমিত মিশ্র।
দিল্লির এই নতুন কোচিং সেটআপে তার অন্তর্ভুক্তি ফ্র্যাঞ্চাইজিটির কোচিং প্যানেলকে করেছে আরও সমৃদ্ধ। এই ক্যাপিটালসে তার সঙ্গে কাজ করবেন সৌরভ গাঙ্গুলি যিনি প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, সহকারী কোচ হিসেবে থাকা যুবরাজ সিং এবং ফাস্ট বোলিং কোচের দায়িত্বে থাকা চামিন্ডা ভাস।
আইপিএলের ইতিহাসের অন্যতম সফল এই বোলারের রয়েছে দীর্ঘ ১৬টি মৌসুমের ১৬২ ম্যাচের বর্ণিল অভিজ্ঞতা। ২০০৮ সালের উদ্বোধনী আসর থেকেই টুর্নামেন্টে খেলা শুরু করা এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার দিল্লি ডেয়ারডেভলস নামে শুরু হওয়া এই একই ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সিতে খেলেছেন তার ক্যারিয়ারের ১০টি মৌসুম।
২০২৪ সালে টুর্নামেন্টে নিজের সর্বশেষ ম্যাচ খেলা এই স্পিনারের নামের পাশে রয়েছে ১৭৪টি আইপিএল উইকেট, যার মধ্যে ১৭ রান খরচ করে ৫ উইকেট নেওয়ার একটি ফাইফারও রয়েছে। তাছাড়া টুর্নামেন্টের ইতিহাসে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে তিনটি হ্যাটট্রিকের অনন্য কীর্তিটি কেবল তারই। ২০০৮ সালে দিল্লি ডেয়ারডেভলস, ২০১১ সালে ডেকান চার্জার্স এবং ২০১৩ সালে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে ভিন্ন তিনটি দলের পক্ষে তিনি এই হ্যাটট্রিকগুলো করেছিলেন। কাকতালীয়ভাবে, তার সহকর্মী সাপোর্ট স্টাফ যুবরাজ সিংও দুটি হ্যাটট্রিক নিয়ে এই টুর্নামেন্টের অনন্য রেকর্ডের পাতার একজন।
অমিত মিশ্রর এই প্রত্যাবর্তন নিঃসন্দেহে দারুণ সুসংবাদ বয়ে এনেছে দিল্লির নতুন রিক্রুট জিশান আনসারির জন্য। সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের সঙ্গে ট্রেড চুক্তির মাধ্যমে টি নটরাজন হায়দ্রাবাদে যাওয়ার পর এই বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার এখন দিল্লিতে যোগ দিয়েছেন। এছাড়া আগামী আসরের জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিটি যদি লেগ স্পিনার বিপরাজ নিগম ও রেহান আহমেদকে ধরে রাখে, তবে তারাও অমিত মিশ্রর এই বর্ণিল অভিজ্ঞতার দারুণ সুফল পাবে।