রঞ্জি ট্রফি হাইলাইটস: তনয় থ্যাগরাজনের ১১ উইকেট হায়দরাবাদের অন্ধ্রের বিরুদ্ধে বড় জয়ের শক্তি

রণজি ট্রফির মাঠ কাঁপানো পারফরম্যান্সে বল ও ব্যাটে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখালেন তানয় ত্যাগরাজন। তার বোলিং তোপে অন্ধ্রপ্রদেশের বিপক্ষে ২৬৭ রানের বিশাল জয় তুলে নিয়েছে হায়দরাবাদ। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ঘূর্ণি জাদুতে ৬ উইকেট শিকার করেন ত্যাগরাজন। ৩৯৮ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অন্ধ্রপ্রদেশ গুটিয়ে যায় মাত্র ১৩০ রানে। একই সঙ্গে ব্যাট হাতে অর্ধশতক হাঁকিয়ে ম্যাচ সেরার দাবিটা জোরালো করেছেন তিনি।

থিরুবনন্তপুরমে ওড়িশার বিপক্ষে ইনিংস ও ৩৬ রানের বড় জয় পেয়েছে কেরালা। চতুর্থ দিনে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে নামা ওড়িশা রবিবার ১০২ রান থেকে শুরু করে মাত্র ১৪৩ রানে অলআউট হয়ে যায়। কেরালার বোলার জালাজ সাক্সেনা ৫ উইকেট শিকার করে বিপক্ষের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। অন্যদিকে, বিসালপুরে হিমাচল প্রদেশের বিপক্ষে ইনিংস ও ৯৭ রানের দাপুটে জয় পেয়েছে মুম্বাই। মোহতি আবাস্তির ৪৪ রানে ৫ উইকেট শিকারের সুবাদে হিমাচল প্রদেশ ২৯১ রানে থামলে মুম্বাইয়ের জয় নিশ্চিত হয়। হিমাচলের হয়ে বৈভব কালতা ও পুখরাজ মান অর্ধশতক পেলেও তা পরাজয় এড়াতে যথেষ্ট ছিল না।

নতুন চণ্ডীগড়ে লড়াই জমিয়ে তুলেছিলেন আয়ুষ পাণ্ডে, তবে তার ১১১ রানের ইনিংস পণ্ড হয়ে গেল পাঞ্জাবের বিপক্ষে। ফলো-অনে পড়া ছত্তিশগড় তৃতীয় দিনে ১২৩ রান থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত ৩৩৫ রান তোলে। ৮৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাঞ্জাব মাত্র ১৬.৫ ওভারে জয় নিশ্চিত করে। অধিনায়ক উদয় সরণ অপরাজিত ৪০ রানের ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন। এদিকে শিলংয়ে রোমাঞ্চকর ম্যাচে মণিপুরের বিপক্ষে ৩ রানের নাটকীয় জয় তুলে নিয়েছে মেঘালয়। ২৭৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মণিপুর ২৭২ রানে অলআউট হয়। অভিষেক কুমার ও কেভিন ক্রিস্টোফার ৩টি করে উইকেট নিয়ে জয়ের নায়ক হয়ে ওঠেন।

পুনেতে মহারাষ্ট্রের বিপক্ষে ড্র করেছে ঝাড়খণ্ড। দ্বিতীয় ইনিংসে শিখর মোহনের ১২৭ রান এবং উৎকর্ষ সিং ও আদিত্য সিংয়ের ধৈর্যশীল অর্ধশতকের ওপর ভর করে ঝাড়খণ্ড ৮ উইকেটে ৩৪৪ রান সংগ্রহ করে। প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়ায় এই ম্যাচে পয়েন্ট পেয়েছে মহারাষ্ট্র। জয়পুরে রেলওয়েজের বিপক্ষে ড্র হয়েছে রাজস্থান বনাম রেলওয়েজের লড়াই। রেলওয়েজ ৩৩৮ রানে অলআউট হয়ে ১৫৯ রানের লিড দিলেও, দ্বিতীয় ইনিংসে মোহাম্মদ সাইফের অপরাজিত ১০৩ এবং ঈশান গয়ালের অপরাজিত ৫৯ রানের সুবাদে লড়াই করে ম্যাচ বাঁচায়।

গুজরাটের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসের লিডের সুবাদে ড্র নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে দিল্লিকে। ঋত্বিক শোকেন ১৪৩ রানে ৫ উইকেট শিকার করে গুজরাটকে চাপে রাখলেও চতুর্থ দিনের শেষে ড্র মেনে নিতে হয় উভয় দলকে। এছাড়া কর্ণাটক ও সৌরাষ্ট্রের ম্যাচটিও ড্র হয়েছে। শেষ ম্যাচে ডিমাপুরে মিজোরামের ৫ রান পাহাড়সম রানের জবাবে নাগাল্যান্ড ৫১৬ রানে থামলেও রনসেন জোনাথনের অপরাজিত ১১৮ রানের ইনিংসটি ছিল দিনের অন্যতম আকর্ষণ। এই ম্যাচে প্রথম ইনিংসের লিড পায় মিজোরাম।

০%
০%
০%
০%