গত বছরের ডোপিং টেস্ট মিস করার দায়ে চার বছরের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া উইম্বলডনের সাবেক চ্যাম্পিয়ন মার্কেলে ভনদ্রোউশোভা এবার আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। খেলার সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা কোর্ট অফ আরবিট্রেশন ফর স্পোর্ট বা সিএএস নিশ্চিত করেছে যে, চেক এই অ্যাথলেটের আপিল গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো শুনানির তারিখ নির্ধারিত হয়নি। ২০৩০ সালের ২১ জুন পর্যন্ত কার্যকর হতে যাওয়া এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে নেমেছেন ২৭ বছর বয়সী এই টেনিস তারকা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে নিজ বাড়িতে ডোপিং কন্ট্রোল অফিসারের উপস্থিতিতে নমুনা প্রদানে ব্যর্থ হওয়ায় জুন মাসে তাকে নিষিদ্ধ করা হয়। ইন্টারন্যাশনাল টেনিস ইন্টিগ্রিটি এজেন্সি জানায়, প্রতিযোগিতার বাইরের একটি পরীক্ষার সময় তিনি নমুনা দিতে অস্বীকার করেছিলেন। এই ঘটনার মাত্র তিন দিন পর নেওয়া পরীক্ষায় তার ডোপ টেস্ট নেগেটিভ এসেছিল বলে জানিয়েছেন ভনদ্রোউশোভা। তিনি বারবার দাবি করেছেন যে, তিনি কখনোই ডোপিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।
নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ভনদ্রোউশোভা জানিয়েছিলেন, দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে শারীরিক ও মানসিক চাপের কারণে তিনি এক চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিলেন। তার ভাষ্যমতে, রাত ৮টা ১৫ মিনিটে ডোপিং কন্ট্রোল অফিসারের হুট করে বাড়িতে এসে পরীক্ষা দিতে বলাটা তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তার ওপর বড় ধরনের হস্তক্ষেপ ছিল।
উল্লেখ্য যে, কাঁধের ইনজুরির কারণে জানুয়ারি মাসে অ্যাডিলেড ইন্টারন্যাশনাল থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর আর কোর্টে নামা হয়নি সাবেক এই বিশ্ব নম্বর ছয়ের। ইনজুরির কারণে দীর্ঘদিন কোর্টের বাইরে থাকায় র্যাঙ্কিংয়ে পিছলে ১৫৩ নম্বরে নেমে গেছেন তিনি। ২০১৯ সালে ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনাল খেলা, ২০২১ সালের টোকিও অলিম্পিকে রৌপ্য জয় এবং ২০২৩ সালে উইম্বলডন শিরোপা জেতা এই খেলোয়াড়ের নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে যখন তার বয়স হবে ৩০ বছর।