আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক: শি জিনপিং

পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সফলভাবে সব ধরনের পরীক্ষার উত্তীর্ণ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দায়িত্ব গ্রহণের পর তাকে পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায় শি জিনপিং এই দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
শুভেচ্ছা বার্তায় চীনা প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মূল ভিত্তি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার নীতি। গত ৫১ বছরে কূটনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তনে দুই দেশ একে অপরের মৌলিক স্বার্থ এবং গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয়গুলোতে নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন বজায় রেখেছে। বেইজিং ও ঢাকা বর্তমানে নিজ নিজ দেশের আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ায় একে অপরের সহযোগী হিসেবে হাতে হাত রেখে এগিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি ইঙ্গিত রেখে শি জিনপিং জানান, ঐতিহ্যের এই মৈত্রী সুদৃঢ় করতে তিনি রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখতে আগ্রহী। তিনি উচ্চমানের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের আওতায় সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। যৌথভাবে একটি অভিন্ন ভবিষ্যতের কমিউনিটি গড়ে তোলা এবং দুই দেশের জনগণের জন্য বাস্তব সুফল বয়ে আনাই বেইজিংয়ের প্রধান লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য যে, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতির উচ্চাসনে আসীন হওয়ার আগে তিনি স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। নতুন এই নেতৃত্বের মাধ্যমে চীন-বাংলাদেশ কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে প্রত্যাশা করছে বেইজিং।
